প্রকাশ : ... | ... | ...

কটিয়াদীতে ওসির ঝটিকা অভিযান: বিপুল অস্ত্র, নগদ পৌনে ২ লাখ টাকা ও ইয়াবাসহ সুমি গ্রেফতার


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: নিজস্ব প্রতিবেদক

এ.এস.এম হামিদ হাসান কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা চরঝকালিয়া গ্রামে ৪৪ পিস ইয়াবা, বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র ও মাদক বিক্রির নগদ ১লক্ষ ৭০ হাজার টাকা সহ সুমা আক্তার ওরফে সুমি (৩২) নামে এক মহিলাকে গ্রেফতার করেছে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ। বুধবার(১৭ই জুন) রাত আট ঘটিকায় জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কটিয়াদী মডেল থানার ওসি( তদন্ত) মোঃ শ্যামল মিয়া এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন। গ্রেফতারকৃত সুমা আক্তার ওই গ্রামেরই ইয়াবা সম্রাট লিটনের স্ত্রী। জানা যায়, কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাত ৮ ঘটিকার দিকে জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সুমা আক্তারের বাড়িতে এক অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৪৪ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির এক লক্ষ ৭০ হাজার টাকা এবং রামদা, ডেগার, ছুরি, চাইনিজ কুড়াল ও লোহার হাতুড়ি সহ বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র সহ সুমা আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযানের সময় অভিযুক্ত মাদক সম্রাট লিটন সাম্প্রতিক মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে বন্দি আছে । উল্লেখযোগ্য যে, মাদকসম্রাট লিটন গত ৫ই এপ্রিল উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ফেকামারা গ্রাম থেকে ৭৩ পিস ইয়াবার ট্যাবলেট সহ পুলিশ তাকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে সাতটি মাদক মামলা, একটি দাঙ্গা হাঙ্গামা মামলা ও একটি ডাকাতির প্রস্তুতিকালীন ধৃত মামলা সহ মোট ৯টি মামলা রয়েছে। লিটন জেলে যাওয়ার পর তার দুই স্ত্রী বর্তমানে এই মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, আটককৃত সুমার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ সময় তিনি আর ও বলেন মাদক, সন্ত্রাস ও জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসময় তিনি স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "মাদক ব্যবসায়ী যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। কটিয়াদী উপজেলাকে সম্পূর্ণ মাদক ও অপরাধমুক্ত করতে আমাদের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং বিশেষ চিরুনি অভিযান অতীতেও ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।" তিনি মাদকের সামাজিক কুফল তুলে ধরে তরুণ সমাজকে বাঁচাতে এবং কটিয়াদী থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও জুয়া চিরতরে নির্মূল করতে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জোরালো আহ্বান জানান।