মাদকের ভয়াল থাবায় গ্রাস যুব সমাজ - ইলিয়াস হোসেন মাঝি

স্টাফ রিপোর্টার
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: নিজস্ব প্রতিবেদক

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

 

মাদকের ভয়াল থাবায় গ্রাস যুব সমাজ। মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ জরুরী মন্তব্য করে আজ ১৯ শে জুন শুক্রবার এক বিবৃতিতে নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেন অত্যাধুনিক অস্ত্র বা প্রযুক্তি দিয়ে মাদকের শিকড় উপড়ানো সম্ভব নয়, যদি না এর পেছনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা থাকে। অতীতে ও অনেক গডফাদার রাজনৈতিক আশ্রয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন। এমনকি তাদের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে ও আসীন হতে দেখা গেছে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষক মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেন, মাদক নির্মূল বা মাদকাসক্তি প্রতিরোধ কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ নয়। একটি রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবারের সম্মিলিত দায়িত্ব। বর্তমানে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ বিভিন্ন অবৈধ মাদকে আসক্ত। এই ব্যাধি থেকে সমাজকে মুক্ত রাখতে বহুমাত্রিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরী।

 

কলামিস্ট মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি আরো বলেন, মাদকের গডফাদাররা যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক ছাতার নিচে সুরক্ষা পাবেন ততক্ষণ মাঠপর্যায়ে সাধারণ বিক্রেতা বা মাদকাসক্তদের ধরে পরিস্থিতির কোন স্থায়ী পরিবর্তন আনা যাবে না। এ জন্য প্রয়োজন রাঘববোয়াল দের জিরো টলারেন্স নীতিতে আইনের আওতায় আনা।

 

তরুণ রাজনীতিবিদ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেন, কাঁচা টাকার লোভ সামলাতে না পেরে অধিদপ্তরের একশ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা মাদক কারবারিদের প্রত্যক্ষ সহায়তা দেন। তাই অভিযান সংশ্লিষ্ট দের নীতি ও নৈতিকতার জায়গায় অটল থাকা খুবই জরুরী। প্রয়োজন অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি রোধে কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহিতার ব্যবস্থা।

 

কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেন, মাদককে রুখতে হলে শুধু শক্তির প্রয়োগ নয় বরং সমন্বিত শুদ্ধি অভিযান প্রয়োজন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সদিচ্ছা, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সততা এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার দ্রুততা, এই তিনের সমন্বয় ঘটলে তবেই মাদকের অভিশাপ থেকে দেশকে মুক্ত করা সম্ভব হবে। অন্যথায় সব আয়োজনই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।

বিষয়:

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত